এবার আসা যাক এপ্লিকেশন জমা দেবার প্রসেস এবং কিভাবে Call Center এর চাকরিটা সত্যিকার অর্থেই পাওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে

বিঃদ্রঃ এই লেখাটি যারা এই মাত্র পড়া শুরু করলেন তাদেরকে স্বাগতম। কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হচ্ছে যে, এই লেখাটি অন্য একটি লেখার ২য় অংশ বা সেকেন্ড পার্ট। সো, যারা এইমাত্র এই লেখাটি পড়ুয়াদের দলে জয়েন করলেন তারা দয়া করে লেখাটি শুরু থেকে পড়ুন। তানা হলে এই লেখাটির কোন আগামাথা আপনি কিছুই বুঝতে পারবেন না।

লেখাটির শুরুর অংশ পড়ার জন্য  Go to the starting point… (শুরুতে যাও)

কল সেন্টার কাজ করাটা অনেকটা স্বপ্নের মত কারন আপনি যখন কোন কল সেন্টারে কাজ করবেন তখন আপনি অটোমেটিক্যলি একটা অন্য এক মেন্টাল স্টেজে চলে যাবেন বা একটা অন্যরকম ঘোর কাজ করবে সারাটা সময় ধরে। কারন কানে হেডফোন লাগিয়ে টানা ৮ থেকে ১০ ঘন্টা কাজ করতে হবে আপনাকে আর এই কাজ যেনতেন অন্যান্য কাজের মত নয়। এই কাজ হচ্ছে এমন এক কাজ যেখানে আপনি শুধুমাত্র কন্টিনিয়াসলি কথা বলে যেতে হবে।

এই কথা বলতে পারাটাই হচ্ছে কল সেন্টারে কাজ করতে পারার মুল যোগ্যতা। আপনি যতই উচ্চশিক্ষিত বা বিবিএ এমবিএ বা অন্যান্য হাই লেভেলের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে থাকেন না কেন, কল সেন্টারে কাজ করতে গেলে এইসব শিক্ষার বিন্দুমাত্র দাম নেই। আর এজন্যই অধিকাংশ কল সেন্টারে কাজ করতে করার প্রাথমিক রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে কথা বলতে পারা।

এপ্লাই করার প্রসেসটাও ক্ষেত্র বিশেষে প্রায় সেম সেম বা একই রকম। তবে হ্যা, এটাও ঠিক যে, ব্যতিক্রম আছে। অনেক কোম্পানি আছে যারা শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখেই নিয়োগ দিয়ে দেয়। পরে তাদেরকে হেডফোন আর মাইক্রোফোন হাতে ধরিয়ে দিয়ে ট্রেনিং করাতে থাকে। ট্রেনিং এর সিস্টেমটা হচ্ছে, অন্য একজন কল যিনি অনেক আগে থেকেই কল করে করে এক্সপার্ট হয়ে গিয়েছে তার পাশে বসিয়ে রাখা। আর এভাবে শুধুমাত্র সিস্টেম বা প্রকৃয়া দেখতে দেখতেই চলে যায় ১৫ দিন থেকে ৩ মাস। তবে যারা খুব দ্রুত গ্রেব করতে পারেন তাদের ব্যপারটা আলাদা। অনেকেই দেখা যায় যেদিন কাজ করতে এসেছে সেদিনই কল করতে শুরু করেছে কারন সুপারভাইজর তার কথা বলার ধরন দেখে হয়তো মনে করেছে যে, এই ব্যক্তি পারবেন।

এখানে একটি ভেরি ইম্পর্টেন্ট কথা বলে রাখা খুবি জরুরি। সেটি হল, কল সেন্টারে দুটি শব্দের খুব ব্যবহার হয়ে থাকে। সেই শব্দ দুটি না জানলে আপনি প্রথম দিন থেকেই বেশ ভাল রকমের ব্যবাচ্যকা খেয়ে যেতে থাকবেন। তাই যেহেতু এখানে কল সেন্টার নিয়েই কথা হচ্ছে সেহেতু শব্দ দুটি আপনাদের জানিয়ে দিলে সুবিধা আপনাদের বুঝতে। সাথে সাথে আমারও একটু সুবিধা হবে কারন এই লেখাতেই বহুবার সেই শব্দ দুটি ব্যবহার করতে হবে।

শব্দ দুটি হলোঃ

কিছু বলার থাকলে লিখতে পারেন। কমেন্টে কেউ মোবাইল নং লিখবেন না।
Published
Categorized as New

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *